Friday, January 8, 2016

পর্যায় সারনি


পর্যায় সারণিবিজ্ঞানের অন্যতম মৌলিক জ্ঞানের বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন হিসেবে পর্যায় সারণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি মৌল। মৌল ১১৩, ১১৫, ১১৭ ও ১১৮ যুক্ত হবে পর্যায় সারণির ৭ নম্বর সারিতে। এতে ওই সারি পূর্ণ হবে।
অদ্যাবধি আবিষ্কৃত মৌলগুলোকে তাদের ধর্মের ওপর ভিত্তি করে এবং সাদৃশ্যপূর্ণ ধর্মবিশিষ্ট মৌলসমূহকে একই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করে যে একটি সারণি তৈরি করা হয়েছে, তাকে পর্যায় সারণি নামে অভিহিত করা হয়।
গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব পিউর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রির গবেষকেরা এই মৌলগুলোকে সারণিতে রাখার পক্ষে মত দেন। তবে ওই মৌলগুলোর এখনো কোনো স্বীকৃত নাম বা প্রতীক গৃহীত হয়নি। নতুন এই মৌলগুলো জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা তৈরি করেছেন। তাঁরাই এগুলোর নামকরণ করবেন।
নতুন এই মৌলগুলো মানুষের তৈরি। এই ভারী ধাতব মৌলগুলো তৈরিতে ২০০৪ সাল থেকে কাজ করছেন গবেষকেরা।
জাপানের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রিকেনের গবেষক রয়োজি নয়োরি বলেন, বিজ্ঞানীদের জন্য এই মৌ​ল আবিষ্কার ও পর্যায় সারণিতে স্থান পাওয়ার ঘটনা অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জেতার চেয়েও অধিক মূল্যবান।
২০১১ সালে ১১৪ ও ১১৬ মৌল দুটি যোগ হওয়ার পর এবারে চারটি উপাদান পর্যায় সারণিতে স্থান পাচ্ছে। এই মৌ​লগুলোর স্থায়ী নাম দিতে পৌরাণিক নাম, ধাতব নাম, স্থান বা দেশের নাম বা কোনো বিজ্ঞানীর নাম ব্যবহার করা হতে পারে। সেই নামের সংক্ষিপ্ত রূপ পর্যায় সারণিতে স্থান পাবে। বর্তমানে এই মৌলগুলো তার সংখ্যা অনুযায়ী পরিচিত। ১১৩ তম মৌলকে বলা হচ্ছে আনআনট্রিয়াম, যার প্রতীক হচ্ছে ইউইউটি। ১১৫ মৌলটিকে বলা হচ্ছে আনআনপেনটিয়াম বা ইউইউপি, ১১৭ মৌলটিকে বলা হচ্ছে আনআনসেপটিয়াম বা ইউইউএস ও ১১৮তম মৌলটিকে বলা হচ্ছে আনআনঅকটিয়াম বা ইউইউও। তথ্যসূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।



Writer
Md.Alif Hossain




             

Sunday, January 3, 2016

পদার্থের আবস্থা






আমরা সবাই জানি-পদার্থের অবস্থা ৪ ধরণের হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে-কঠিন, তরল, গ্যাস ও প্লাজমা। এবার বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন পদার্থের পঞ্চম অবস্থা। আর এটা আবিষ্কৃত হয়েছে কোথায় জানেন? মুরগীর চোখের ভেতরে!
বিজ্ঞানের পরিভাষায় এর নাম দেয়া হয়েছে 'disordered hyperuniformity'। এ অবস্থায় পদার্থের কণাগুলো এমনভাবে সজ্জিত হয়, যাতে পদার্থটি ক্রিস্টাল বা স্ফটিক এবং তরল- এ দুই ধরণের অবস্থাই প্রদর্শন করে।
রোস্টার জাতের মুরগীরা আগে থেকেই ডিম, স্যুপের জন্য বেশ জনপ্রিয় ছিল। এবার এর চোখে এরকম পদার্থ পাওয়া গেল, যেটা স্ফটিকের দক্ষতা ও তরলের নমনীয়তা-এ দুটির মেলবন্ধনে আলোক নিঃসরণ ঘটাতে সক্ষম। নতুন এ আবিষ্কার Physical Review E তে প্রকাশিত হয়েছে, এর ফলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, কোন বিশেষ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোতে কাজ করতে কিংবা আলোকে প্রতিরোধ করার ডিটেকটর উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে।

মুরগীদের চোখের অতিক্ষুদ্র আলোক-সংবেদী ‘কোণ’ কোষে গবেষকরা পদার্থের এ নতুন অবস্থার সন্ধান পান। চোখের কোণ কোষ আলোর রঙের উপলব্ধিতে সাহায্য করে। মুরগীসহ বিভিন্ন দিবাচর পাখির ক্ষেত্রে এ চার ধরণের কোষগুলো বেগুনি, নীল, সবুজ ও লাল রঙ আলো নির্ণয় করে। পঞ্চম আরেক ধরণের কোণ কোষ নির্ণয় করে আলোর মাত্রা। এদের আকৃতিও হয় ভিন্ন ভিন্ন ধরণের। প্রাণীদের রেটিনাতে এ কোষগুলো একটি নির্দিষ্ট সজ্জায় বিন্যস্ত থাকে। পোকাদের ক্ষেত্রে হয় এটা ষড়ভূজাকৃতির।
কিন্তু মুরগীদের ক্ষেত্রে এ কোষগুলোর অবস্থা থাকে একদমই ভিন্ন ধরণের। সেখানে কোণগুলো এলোমেলোভাবে বিন্যস্ত থাকে। এর থেকে বোঝা যায়, মুরগীদের চোখের কোণ কোষের এ বিশেষ অবস্থাটি আসলে এদের জন্য নির্দিষ্ট। আর এ বিশেষ অবস্থার নাম দেয়া হয়েছে disordered hyperuniformity । এ বিশেষ অবস্থায় পদার্থ স্ফটিক ও তরল-উভয় ধরণের আচরণ করে। এর আগে তরল হিলিয়াম ও সাধারণ প্লাজমার মাঝে এ ধরণের পদার্থকণা দেখা গেলেও কোনো জীবদেহে পদার্থের পঞ্চম অবস্থার আবিষ্কার এটাই প্রথম।
বিভাগ:




                   Writer
Md.Alif  Hossain

প্রাণিদের বৈজ্ঞানিক নাম


১)আক্টোপাস =Octopus vulgaris
২)আপেল শামুক=Pila globosa
৩)আ্যমিবা=Amoeba proteus
৪)ইঁদুর=Rattus rattus
৫)ইদুর(ধাড়ী)=Bandieota indica
৬)ইদুর(নেংটি)=Mus muculus
৭)কাক=Corvus splendens
৮)কুমির(লোনাপানির)=Crockdylus porosus
৯)কেঁচো=Pheretima posthuma
১০)কেঁচো কৃমি(গোলকৃমি)=Ascaris lumbricoides
১১)কোলাব্যাঙ(সোনাব্যাঙ)=Hoplobatrachus tigerinus
                                           Rana tigrina
১২)খাদ্যে বিষক্রিয়ার জীবানু=Colstridium botulineum
১৩)গলদা চিংড়ি=Macrobrachium rosenbergii
১৪)গলখরা সাপ =Naja naja
১৫)ঘাস ফড়িং=Schistocera gregaria
১৬)চেলে পোকা=Apion corchori
১৭)জেলীফিস=Aurelia aurtia
১৮)জোঁক=Hirudo medicinalis
১৯)টিকটিকি=Hemidactylus brookii
২০)তারা মাছ=Asterias ruben
২১)ধনুষ্টংকার জীবানু=Clostridium tetani
২২)ধানের হলুদ মাজরা=Scirpophaga incertulus
২৩)ধানের পামরী পোকা=Dicladispa armigera
২৪)পাটের বিছা পোকা=Spilosoma obligua
২৫)পাটের চেলে পোকা=Apion corchori
২৬)পেঁচা=Bubo bubo
২৭)ফিতা কৃমি=Taenia solium
২৮)বন মুরগি=Gallus gallus
২৯)রেশম পোকা=Bombyx mori
৩০)স্পঞ্জ(স্বাদু পানির)=Spongilla fargilis
৩১)স্পঞ্জ(লোনা পানির)=Scypha gelatinosum
৩২)হাইড্রা=Hydra vulgaris
৩৩)হাইড্রা=Hydra viridis
৩৪)হুক ওয়ার্ম=Ancylostoma duodenale


             Writer

  Md.Alif Hossain